Vasco Zyme 100 ml

Vascozyme

(বহুমুখী কার্যক্ষমতা সম্পন্ন এনজাইম)

Pack size: 100 ml, 500 ml

কার্যপ্রণালী:

গবাদি পশু পাখির গ্রহণকৃত খাদ্যের উপাদানসমুহের বিপাকীয় গুণাবলী বৃদ্ধি করে। জাসকোজাইম ব্যবহার করলে খাদ্যের সর্বোচ্চ রূপান্তর হার/দক্ষতা (এফ.সি.আর) বৃদ্ধি পায় ফলে অধিক ডিম ও উন্নতমানের মাংস উৎপাদনে সাহায্য করে। প্রোটিন এবং স্টার্চ জাতীয় খাদ্য, চর্বি ও আঁশযুক্ত খাবারকে ভেঙ্গে পরিপাক উপযোগী করে। খাদ্যোস্থিত এ্যামাইনো এসিড সমূহের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করে এবং ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইরেট এ আবদ্ধ প্রোটিনকে মুক্ত করে পুষ্টির অধিক ব্যবহার নিশ্চিত করে। মোরগ-মুরগরি লিটার শুকনা রেখে সেডে দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মাছির উপদ্রব কমায়।

গবাদি পশুতে: অরুচি, বদহজম, পাকস্থলির প্রদাহ, ক্ষুদামন্দা ইত্যাদিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। প্রচলিত অন্যান্য এনজাইমের ব্যবহারের অকৃতকার্যতা দেখা দিলে ভাসকোজাইম সে ক্ষেত্রে অধিক কার্যকরী।

ব্যবহার বিধি ও মাত্রা: প্রোস্ট্রিতে-ভাসকোইম ১ মি.লি./১ লি. বিশুদ্ধ পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার। ৫-৭ দিন। গবাদি পশুতে-ক্ষুধামন্দায় সকাল ৫০ মি.লি. এবং বিকালে ৫০ মি.লি. ২৫০ মি.লি. পানি/অল্প পরিমাণ খাদ্যের সাথে মিশিয়ে ৩০৫ দিন ব্যবহার করতে হবে। বদহজম, পেট ফাঁপা, ইনফেকশনে, রোগের তীব্রতা অনুযায়ী একবারে ৫০০ মি. লি. অথবা সকালে ২৫০ মি.লি. বিকালে ২৫০ মি.লি. খাওয়া নিশ্চিত ফল পাওয়া যাবে। অথবা প্রাণি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার্য।

প্রয়োগ ক্ষেত্র:

পোল্ট্রিতে খাদ্যের সর্বোচ্চ রূপান্তর হার/দক্ষতা (এফ.সি.আর) ঘটানোর ক্ষেত্রে (শতকরা ৫ ভাগ খাদ্য কম প্রদানেও কাঙ্খিত উৎপাদন পাওয়া সম্ভব) ব্যবহার্য। বাচ্চা অব্সথায় যখণ মোরগ-মুরগি শস্যের দানা সমূহ ভেঙ্গে সম্পূর্ণরূপে পরিপাক করতে পারে না সে ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় অধিক পরিমাণ প্রোটিন জাতীয় খাদ্য খাওয়ালে ও কোন বিশেষ কারণে হঠাৎ করে খাদ্য উপাদানের পরিবর্তন ঘটানো হলে। ভাসকোজাইমে ব্যবহৃত কার্যকরী উপাদান সমূহে মাধ্যমে গরমের পাতলা (পানি) পায়খানা ও বমি বন্ধকরণের জন্য নিশ্চিত ভূমিকা রাখে। ব্রয়লারের পা ও ঠোঁট দিয়ে খাদ্য ফেলার প্রবণতা রোগের ক্ষেত্রে কার্যকরী।

Share this product

৳ 135.00

Compare
Categories: , Tags: ,

Description

Vascozyme

(বহুমুখী কার্যক্ষমতা সম্পন্ন এনজাইম)

Pack size: 100 ml, 500 ml

কার্যপ্রণালী:

গবাদি পশু পাখির গ্রহণকৃত খাদ্যের উপাদানসমুহের বিপাকীয় গুণাবলী বৃদ্ধি করে। জাসকোজাইম ব্যবহার করলে খাদ্যের সর্বোচ্চ রূপান্তর হার/দক্ষতা (এফ.সি.আর) বৃদ্ধি পায় ফলে অধিক ডিম ও উন্নতমানের মাংস উৎপাদনে সাহায্য করে। প্রোটিন এবং স্টার্চ জাতীয় খাদ্য, চর্বি ও আঁশযুক্ত খাবারকে ভেঙ্গে পরিপাক উপযোগী করে। খাদ্যোস্থিত এ্যামাইনো এসিড সমূহের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করে এবং ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইরেট এ আবদ্ধ প্রোটিনকে মুক্ত করে পুষ্টির অধিক ব্যবহার নিশ্চিত করে। মোরগ-মুরগরি লিটার শুকনা রেখে সেডে দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মাছির উপদ্রব কমায়।

গবাদি পশুতে: অরুচি, বদহজম, পাকস্থলির প্রদাহ, ক্ষুদামন্দা ইত্যাদিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। প্রচলিত অন্যান্য এনজাইমের ব্যবহারের অকৃতকার্যতা দেখা দিলে ভাসকোজাইম সে ক্ষেত্রে অধিক কার্যকরী।

ব্যবহার বিধি ও মাত্রা: প্রোস্ট্রিতে-ভাসকোইম ১ মি.লি./১ লি. বিশুদ্ধ পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার। ৫-৭ দিন। গবাদি পশুতে-ক্ষুধামন্দায় সকাল ৫০ মি.লি. এবং বিকালে ৫০ মি.লি. ২৫০ মি.লি. পানি/অল্প পরিমাণ খাদ্যের সাথে মিশিয়ে ৩০৫ দিন ব্যবহার করতে হবে। বদহজম, পেট ফাঁপা, ইনফেকশনে, রোগের তীব্রতা অনুযায়ী একবারে ৫০০ মি. লি. অথবা সকালে ২৫০ মি.লি. বিকালে ২৫০ মি.লি. খাওয়া নিশ্চিত ফল পাওয়া যাবে। অথবা প্রাণি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার্য।

প্রয়োগ ক্ষেত্র:

পোল্ট্রিতে খাদ্যের সর্বোচ্চ রূপান্তর হার/দক্ষতা (এফ.সি.আর) ঘটানোর ক্ষেত্রে (শতকরা ৫ ভাগ খাদ্য কম প্রদানেও কাঙ্খিত উৎপাদন পাওয়া সম্ভব) ব্যবহার্য। বাচ্চা অব্সথায় যখণ মোরগ-মুরগি শস্যের দানা সমূহ ভেঙ্গে সম্পূর্ণরূপে পরিপাক করতে পারে না সে ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় অধিক পরিমাণ প্রোটিন জাতীয় খাদ্য খাওয়ালে ও কোন বিশেষ কারণে হঠাৎ করে খাদ্য উপাদানের পরিবর্তন ঘটানো হলে। ভাসকোজাইমে ব্যবহৃত কার্যকরী উপাদান সমূহে মাধ্যমে গরমের পাতলা (পানি) পায়খানা ও বমি বন্ধকরণের জন্য নিশ্চিত ভূমিকা রাখে। ব্রয়লারের পা ও ঠোঁট দিয়ে খাদ্য ফেলার প্রবণতা রোগের ক্ষেত্রে কার্যকরী।